Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

Responsive Advertisement

কিভাবে ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল করবেন?

ইউটিউবে ভিডিও ভাইরাল করতে হলে আপনাকে কিছু টিপস এন্ড ট্রিক্সস জেনে নিতে হবে আর আপনি এই টিপসগুলো সঠিকভাবে ফলো করতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনার ইউটিউব ভিডিও খুব সহজে ভাইরাল করতে পারবেন আর যদি এই বিষয়গুলো আপনি ফলো না করেন তাহলে আপনার ইউটিউব ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কমে যাবে।


প্রথমে আপনাকে ইউটিউব ভিডিওর কোয়ালিটির উপর বেশি জোর দিতে হবে। আপনার ভিডিওর কোয়ালিটি যদি ভালো না হয় তাহলে আপনার ইউটিউব ভিডিও কোনদিন রাঙ্ক করবে না। আর যদি আপনার ভিডিও এর কোয়ালিটি মানসম্মত হয়ে থাকে তাহলে খুব তাড়াতাড়ি রেঙ্ক করবে।


এরপর যে বিষয় টির উপর এরপরে যে বিষয়টির উপর আপনাকে নজর রাখতে হবে সেটি হচ্ছে আপনার ভিডিওর ওয়াচ টাইম আপনার ভিডিও ওয়াচ যদি কম হয়ে থাকে তাহলে কিন্তু আপনার ভিডিওগুলো রাঙ্ক করবে না। আপনার ভিডিও যদি পাঁচ মিনিটের হয়ে থাকে কম পক্ষে সেই ভিডিওতে তিন থেকে চার মিনিট এর বেশি ওয়াচ টাইম থাকতে হবে। আর যদি আপনার ভিডিও এর ওয়াচ টাইম কম হয়ে থাকে তাহলে কিন্তু আপনার ভিডিও কোনদিনই ভাইরাল হবে না।


এরপরে যে বিষয়টির উপর খেয়াল রাখতে হবে সেটি হচ্ছে আপনার ভিডিওতে থাম্বেল । আপনার ভিডিও এর যদি থাম্বেল ভালো না হয় তাহলে কিন্তু ওই ভিডিওটি বেশি ক্লিক পড়বে না। যে কারণে আপনার ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কমে যাবে তাই সব সময় একটি সুন্দর থাম্বেল দেওয়া চেষ্টা করবেন।


ভিডিও এর থাম্বেল এর সাথে আপনাকে সুন্দর ভাবে একটি টাইটেল লিখতে হবে । একটি ভিডিওর টাইটেল অনেক গুরুত্বপূর্ণ আপনি যদি একটি সুন্দর টাইটেল না দেন তাহলে কিন্তু ভিডিও রাঙ্ক করবে না আর আপনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কমে যাবে। আপনি যদি ভিডিও থাম্বেল এবং টাইটেল সুন্দরভাবে দিয়ে থাকেন তাহলে কিন্তু আপনার ভিডিও ভাইরাল হবে না। তার সাথে প্রতিনিয়ত একটি টাইম মেনটেন করে আপনাকে ভিডিও আপলোড করে যেতে হবে। তার মধ্য থেকে একটি ভিডিও ভাইরাল করে দেবে ইউটিউব নিজেই।





১। ভিডিও এসইও


আপনার ইউটিউব ভিডিও গুলো খুব ভালোভাবে এসইও করতে হবে। এসইও করার জন্য প্রথমে আপনার ভিডিও এর ডেসক্রিপশনে এক থেকে দুই হাজার ওয়ার্ড লিখবেন ঠিক এভাবেই ইউটিউবকে আপনাকে বুঝাতে হবে। যে আপনার ভিডিওতে অনেক তথ্য আছে আর এভাবে আপনাকে প্রত্যেকটা ভিডিওর জন্য খুব সুন্দর ভাবে এসইও করতে যেতে হবে। 


আর আপনি যত আপনার ভিডিও ডেসক্রিপশন সুন্দরভাবে লিখতে পারবেন। ততই আপনার ভিডিও কিন্তু রাঙ্ক করবে আর আপনি চাইলে হ্যাশট্যাগ ও ব্যবহার করতে পারেন। ভিডিও ডেসক্রিপশনে হ্যাশট্যাগ অনেক গুরুত্বপূর্ণ তবে বেশি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা উচিত না আপনি চাইলে তিন থেকে পাঁচটা হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে পারেন।


আর আপনি চাইলে ভিডিও ডেসক্রিপশনে এর দুই থেকে তিনশ এর মত ট্যাগ দিতে পারেন আর এই ট্যাগ আপনার ভিডিওটি রাঙ্কগুলো করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে


২। ভিডিও তে একটি ভালো ছবি দিন।


এরপরে যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবো সেটি হচ্ছে প্রত্যেকটা ভিডিওর থাম্বেল ইউটিউব ভিডিওর জন্য ভালো একটি থাম্বেল দিতে হবে কারণ প্রত্যেক মানুষই ভিডিও তে ক্লিক করে কিন্তু ভিডিও থাম্বেল অথবা টাইটেল দেখে আপনার ভিডিওর থাম্বেল বা টাইটেল যদি ভালো না হয় তাহলে কিন্তু আপনার ভিডিওতে মানুষ ক্লিক করবে না যে কারণে আপনার ভিডিওটি ও ভাইরাল হবে না।


আপনার ভিডিওতে যদি মানুষ বেশি ক্লিক করে তাহলে কিন্তু আপনার সাবস্ক্রাইব ও তাড়াতাড়ি বেড়ে যাবে তাই আপনাকে সব সময় মনে রাখতে হবে ভিডিও এর সাথে সাথে ভিডিও থাম্বেল এবং টাইটেল খুব ভালো মানের তৈরি করতে হবে তা না হলে কিন্তু আপনি কোনোদিন ভিডিও ভাইরাল করতে পারবেন না।


৩। নির্দিষ্ট একটা সময় ঠিক করতে হবে।


এরপরে যে বিষয়টির উপর বেশি গুরুত্ব দিতে হবে সেটি হচ্ছে আপনাকে প্রতিদিন নিয়মিত ভিডিও আপলোড করে যেতে হবে তাহলে আপনার ইউটিউব চ্যানেলটা খুব তাড়াতাড়ি রাঙ্ক করবে।


আর যদি আপনি প্রতিনিয়ত ভিডিও আপলোড না করে থাকেন তাহলে কিন্তু আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি কোনদিনই রাঙ্ক করবে না এবং আপনার ভিডিওটি ও কোনদিনই ভাইরাল হবে না তাই আপনাকে প্রতিনিয়ত ইউটিউবে অথবা ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে যেতে হবে


তাই আপনি যেকোন একটা সময়ে ভিডিও আপলোড করে যেতে পারেন মনে করুন আপনি আজকে একটা ভিডিও আপলোড করেছেন আর দুইদিন পর একটা ভিডিও আপলোড করেছেন আবার পরের দিন একটা ভিডিও আপলোড করেছেন এভাবে করলে কিন্তু আপনার ভিডিও অথবা আপনার ইউটিউব চ্যানেল কোনদিনই রাঙ্ক করবে না।


তাই আপনাকে নির্দিষ্ট একটা সময়ে ভিডিও আপলোড করে যেতে হবে আর নির্দিষ্ট সময়ে ভিডিও আপলোড দিলে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে খুব তাড়াতাড়ি রাঙ্ক করবে এবং আপনার ভিডিওতে ও প্রতিনিয়ত ভিউ আসতে থাকবে এভাবে ভিউ আসার মাঝে আপনার যেকোনো একটি ভিডিও ভাইরাল করে দেবে ইউটিউব নিজেই।


৪। চ্যানেলের জন্য একটি ওয়েবসাইট খুলতে হবে।


এরপরে যে কাজটি করতে হবে সেটি হচ্ছে আপনার ইউটিউব চ্যানেল অথবা ফেসবুক পেজের জন্য একটি ওয়েবসাইট খুলতে হবে আর আপনি যদি টাকা খরচ না করে ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে আপনি গুগলের ব্লগার থেকে ফ্রীতে ওয়েবসাইট খুলতে পারবে।


আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটে আপনার ভিডিওর রিভিউ করতে পারেন। ওয়েবসাইট থেকে কিন্তু প্রতিনিয়ত আপনার ইউটিউব ভিডিওতে ভিউ আসতে থাকবে এতে আপনার ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইট  দুটোই প্রতিনিয়ত রাঙ্ক করতে থাকবে।


আপনি চাইলে কোন প্রফেশনাল মানের ওয়েব ডিজাইনার কাছ থেকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারবেন কিছু টাকার বিনিমযে আমার মনে হয় কিছু টাকা খরচ করলেও আপনি কিন্তু আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট কিন্তু পেয়ে যাবেন।


আপনি চাইলে ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে গিয়ে পোস্ট দিতে পারেন যে আমার একটি ব্লগ সাইড প্রয়োজন এবং আপনি কিন্তু 30 থেকে 40 ডলার খরচ করে একটি প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারবেন কোন ওয়েব ডিজাইনের কাছ থেকে।


5। চ্যানেলের একটি ইন্ট্রো তৈরি করুন।


আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য একটি প্রফেশনাল মানের ইন্ট্রো তৈরি করতে হবে ইন্ট্রো বলতে ভিডিওর প্রথম দিকে যে একটু শর্ট ভিডিও থাকে অথবা ভিডিও শুরু করার আগে যে শর্ট ভিডিও থাকে সেটিই কিন্তু ইন্ট্রো


ইন্ট্রো নিয়ে আমি একটি  ইউটিউবে ভিডিও তৈরি করতেছি আপনি চাইলে ওই ভিডিওটি দেখে একটি প্রফেশনাল মানের ইন্ট্রো তৈরি করতে পারবেন এবং ভিডিওর লিংক আমি নিচে দিয়েছি আপনি চাইলে এই লিংকে যেয়ে ভিডিওটি দেখতে পারেন অথবা আপনি গুগলে how to make intro লিখে সার্চ দিলে ইন্ট্রো তৈরি করার অনেক ওয়েবসাইট পেয়ে যাবে সেখান থেকে আপনি প্রফেশনাল মানের ইন্ট্রো তৈরি করতে পারবেন এবং সম্পূর্ন ফ্রীতে


শেষ কথা।


এরপর যে বিষয়টির উপর আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে সেটি হচ্ছে কপি করা কপি করা থেকে বিরত থাকতে হবে আপনি যদি কারো ভিডিও কপি করেন তাহলে কিন্তু আপনার ভিডিওতে কপিরাইট চলে আসবে এর সাথে সাথে কিন্তু আপনার চ্যানেলও ডিলিট হয়ে যাবে তাই আপনাকে কপি করা থেকে বিরত থাকতে হবে আর আপনার কোন ভিডিওতে যদি কপিরাইট ক্লাইম থাকে তাহলে কিন্তু ওই ভিডিওটি রাঙ্ক করবে না। এবং ভিডিওর জন্য আপনাকে যতটা সম্ভব মার্কেটিং করতে হবে।


আর আপনি যত আপনার ভিডিওর মার্কেটিং বেশি করবেন ততই কিন্তু আপনার ভিডিওতে ভিউ বেশি আসতে থাকবে আর যদি আপনার সামর্থ্য থাকে তাহলে আপনি দুই একটা ভিডিও বুষ্ট করতে পারেন ভিডিও বুস্ট করলে তেমন কোন লাভ হয় না তারপর ও আমার মনে হয় তুই একটা ভিডিও বুস্ট করলে আপনার চ্যানেলটি অনেক রাঙ্ক করবে আর আপনার ভিডিওতে অনেক ভিউ চলে আসবে।


আমি ইউটিউবে টেক রিলেটেড ভিডিও তৈরি করে থাকি  আপনি চাইলে আমার ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন আমি কপিরাইট ফ্রী ফটো ভিডিও মিউজিক ফ্রীতে ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন এবং আপনার প্রতিটা ইউটিউব ভিডিওর জন্য কিভাবে ব্যাকলিংক তৈরী করবেন এই সকল ভিডিও কিন্তু আমি আমার ইউটিউব চ্যানেলে দিয়ে থাকি আপনি চাইলে আমার ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে ভিডিও গুলো দেখতে পারেন হয়তো আপনার উপকারে আসতে পারে।


আমার ইউটিউব চ্যানেল লিংক: https://www.youtube.com/c/HMRajon


আপাতত এগুলি করতে থকেন এবং এই টিপস-এন্ড-ট্রিকস গুলো যদি আপনি ফলো করেন তাহলে আপনার ভিডিও ভাইরাল করতে পারবেন খুব সহজে।


পোস্টটি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে তাহলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ